

সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচন ছিল একপক্ষীয় পাতানো, অনুঘটক ইসি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একপক্ষীয় ও পাতানো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি বলেছে, “এবারের নির্বাচন অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়নি। এ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্র ও ভবিষ্যত গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত।”
বুধবার ঢাকার টিআইবির কার্যালয়ে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ট্র্যাকিং’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
এতে নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৭ই জানুয়ারির ভোটে ২৯৯ টি আসনের মধ্যে টিআইবি ৮টি বিভাগের ৫০টিকে গবেষণা প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে।
পাশাপাশি কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশনের দায়িত্ব নেওয়ার পর আইন ও বিধির সংস্কার, সীমানা পুনঃনির্ধারণ, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনসহ নির্বাচন বিষয়ক বিভিন্ন কর্মকান্ডের তথ্য ও উপাত্ত তুলে ধরা হয় এই সংবাদ সম্মেলনে।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার নামে কৌশলে একতরফা নির্বাচনের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।
অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রশাসনও এই এজেন্ডার সহায়ক ভূমিকায় ছিল।
শিল্পে গ্যাস সংকট নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘শিল্প-কারখানায় উৎপাদনে ধস’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সারা দেশে গ্যাসের তীব্র সংকটে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে শিল্প উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এসব এলাকার বেশিরভাগ কারখানা বন্ধ হওয়ার পথে। গত এক সপ্তাহ ধরে এই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এতে কারখানা মালিকরা পড়েছেন মহাবিপদে।
প্রতিদিন তাদের লাখ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। গাজীপুর ও ফতুল্লায় কয়েকদিন ধরে গ্যাসের চাপ শূন্যে নেমেছে।
এতে পোশাক কারখানা, ডাইং কারখানা, স্পিনিং, টেক্সটাইল, রি-রোলিং মিলসহ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।